Google BD 99

Googlebd99 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Googlebd99 লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২০

করোনা সন্দেহ বা আক্রান্ত হলে

করোনা সন্দেহ বা আক্রান্ত হলে

যাঁদের করোনা হয়েছে নিশ্চিত বা যাঁদের হয়েছে বলে সন্দেহ, ঘরে কীভাবে তাঁদের খেয়াল রাখবেন পরিচর্যাকারী বা কেয়ার গিভাররা, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ থাকছে এখানে। 
● দেখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তি যাতে যথেষ্ট বিশ্রাম পান, পুষ্টিকর খাবার খান, প্রচুর পানি আর তরল পান করেন। 
● একই ঘরে যখন সেবা কাজে, তখন মেডিকেল মাস্ক পরবেন দুজনে। হাত দিয়ে মাস্ক ধরবেন না। মুখে হাত দেবেন না। কাজ শেষে মাস্ক ফেলে দেবেন ময়লার ঝুড়িতে। 
● বারবার হাত ধোবেন সাবান পানি দিয়ে বা স্যানিটাইজার দিয়ে: অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে বা এর চারপাশের সংস্পর্শে এলে খাবার তৈরির আগে, খাবার খেতে বসার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর। 
● অসুস্থ মানুষের জন্য আলাদা বাসনপত্র, তোয়ালে, বিছানার চাদর—এসব জিনিস সাবান দিয়ে ধুতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যা যা হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন, সেগুলো বারবার জীবাণু শোধন করুন। 
● অসুস্থ ব্যক্তির অবস্থা শোচনীয় হলে বা শ্বাসকষ্ট হলে স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রে ফোন করুন। 
সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০

রমজানে নামাজের সময় সব মসজিদ খোলা রাখার আহ্বান


সুস্থ ব্যক্তিদের জুমা, পাঁচ ওয়াক্তের জামাত ও তারাবির নামাজ আদায়ের জন্য আসন্ন রমজান মাসে নামাজের সময় সব মসজিদ খোলা রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আলহাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফিসহ কয়েকজন আলেম আজ মঙ্গলবার এই আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ সরকার করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, মসজিদ খোলা রাখা হলেও প্রতি ওয়াক্তের জামাতে পাঁচজনের বেশি অংশ নেওয়া যাবে না। আর এই পাঁচজন হবেন মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম। এ ছাড়া জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন। বাইরের মুসল্লি মসজিদে গিয়ে জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।
এদিকে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ শেখ সম্প্রতি বলেছেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে নেওয়া পদক্ষেপের কারণে রমজানে তারাবির নামাজ মসজিদে আদায় করতে না পারলে তা বাড়িতে আদায় করা যেতে পারে। ঈদুল ফিতরের নামাজের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সৌদি আরবের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় আগেই আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে বাড়িতে তারাবির নামাজ আদায়ের নির্দেশনা সংবলিত একটি ঘোষণা দিয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশটির মসজিদগুলোয় জামাতে নামাজ আদায়ের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে না বলেও জানায় সৌদি সরকার।

কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে স্নাতকোত্তর স্তরের সমমানের স্বীকৃতি দেওয়ার পর এই পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আলহাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া নামের সংস্থাটি গঠন করা হয়। সংগঠনটির দেওয়া আজকের বিবৃতিতে বলা হয়, রমজানুল মোবারক আসন্ন। এই মাস রহমত ও নাজাতের মাস। করোনাসহ সব বালা-মুসিবত থেকে মুক্তির জন্য এই মাসের সদ্ব্যবহার একান্ত জরুরি।
সংগঠনটি শর্ত সাপেক্ষে মসজিদ খোলার কথা বলেছে। তাঁদের ১৪ দফা শর্তের মধ্যে রয়েছে, মসজিদে কার্পেট, জায়নামাজ বা গালিচা না বিছানো, জুমার বয়ান, খুতবা, জামাত ও দোয়া সংক্ষিপ্ত করা এবং নামাজের আগে-পরে মসজিদের ভেতরে বা সামনে জড়ো হওয়া যাবে না। পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের মুসল্লি এবং ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী পর্যন্ত বালকদের মসজিদে না আসা, যাদের সর্দি, জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট আছে এবং যারা আক্রান্ত দেশ ও অঞ্চল থেকে এসেছেন কিংবা যারা এসব মানুষের সংস্পর্শে গিয়েছেন তাঁরা মসজিদে আসবেন না। যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত তারা এবং যারা মসজিদে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করেন তাঁরাও আসবেন না। এ ছাড়া পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে মসজিদকে জীবাণুনাশক, স্যানিটাইজার ইত্যাদি দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা এবং ওযুখানায় অবশ্যই সাবান ও পর্যাপ্ত টিস্যু রাখতে হবে। মুসল্লিদের দুজনের মাঝে অন্তত দুই ফুট পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রেখে দাঁড়ানো,বাসা থেকে অজু , হাত ও পা ভালোভাবে ধুয়ে মুছে মসজিদে যেতে হবে। বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান,পরস্পর হাত মেলানো ও আলিঙ্গন থেকে বিরত থাকা, সম্মিলিত ইফতারের আয়োজন না করা, মুখে হাত দেওয়া থেকে বিরত থাকা, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের প্রশাসনের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে প্রতি মসজিদে একটি করে স্বেচ্ছাসেবক কমিটি গঠন করতে হবে।
শাহ আহমদ শফি ছাড়াও বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আরও রয়েছেন, আলহাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়ার কো চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কুদ্দুছ, মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুফতি মো. ওয়াক্কাস, মাওলানা মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ প্রমুখ

করোনাভাইরাস মহামারীর সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে সাইবার প্রতারকরা দৈনিক ১ কোটি ৮০ লাখ প্রতারণামূলক ইমেইল মুছছে গুগল

করোনাভাইরাস মহামারীর সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে সাইবার প্রতারকরা দৈনিক ১ কোটি ৮০ লাখ প্রতারণামূলক ইমেইল মুছছে গুগল

গুগল

করোনাভাইরাস মহামারীর সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে সাইবার প্রতারকরা। নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য জিমেইল ব্যবহারকারীদের কাছে প্রতিদিনই গড়ে তারা ১ কোটি ৮০ লাখ প্রতারণামূলক মেইল পাঠাচ্ছে। আর্থিক সহযোগিতা ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়ার মতো ফাঁদপাতা এমন ইমেইল প্রতিদিন ব্লক করে দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে গুগল।
বিশ্বের বৃহত্তম সার্স ইঞ্জিন গুগুল কর্তৃপক্ষ বলছে, সাইবার অপরাধীরা মহামারীর সুযোগ নিয়ে ফিশিং আক্রমণের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের জন্য তারা প্ররোচিত করছে। একদিনে ১০ কোটিরও বেশি ফিশিং ইমেইল ব্লক করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০ শতাংশ মেইল ছিল করোনাভাইরাস সংক্রান্ত।
বিশ্বজুড়ে এখন ১৫০ কোটি মানুষ গুগলের জিমেইল সেবা ব্যবহার করেন। প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ফিশিংয়ের বিষয় হতে পারে করোনাভাইরাস।
ব্যক্তিগতভাবে অসংখ্য মেইল পাঠানো হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) মতো কর্তৃপক্ষের ছদ্মনামে। মেইলগুলোতে সফটওয়্যার ডাউনলোড বা অনুদান দেয়ার জন্য প্ররোচিত করা হচ্ছে। সাইবার অপরাধীরা সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুকরণে সরকারি সহায়তা প্যাকেজগুলোকে পুঁজি করার চেষ্টা করছে। তবে সেগুলোতে অনুদান দিলে- তা চলে যাচ্ছে হ্যাকারদের অ্যাকাউন্টে। এমন প্রতারণা রুখতে প্রতিদিন কাজ করছে গুগল।
এ ধরনের মেইল বন্ধ করার উপায়ও জানিয়েছে সংস্থাটি। গুগল দাবি করেছে, তাদের মেশিন লার্নিং টুল ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ মেইল ব্লক করতে সক্ষম।
প্রযুক্তিবিদরা করোনাভাইরাসকে পুঁজি করা ওয়েবসাইট ও স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনও খুঁজে পেয়েছেন। ভাইরাসের বিস্তার ট্র্যাক করতে সহায়তা করে দাবি করা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনটি ফোন হ্যাক করে ফেলে এবং পুনরুদ্ধারের জন্য অর্থ দাবি করে।
ফিশিংয়ের বিষয়ে স্বাধীন নিরাপত্তা গবেষক স্কট হেলমি বলেছেন, ফিশিং আক্রমণগুলো সর্বদা উসকানিমূলক হয়। তারা মানুষের আবেগকে ব্যবহার করার চেষ্টা করে। এমনভাবে তথ্য উপস্থাপন করে যে আবেগপ্রবণ মানুষ কোনো কিছু না ভেবেই তাদের নির্দেশনা অনুসরণ করে। সাইবার অপরাধীরা জানে যে, করোনাভাইরাস মহামারী এখন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। তারা আশা করছে, সাধারণ মানুষ লোভে পড়ে মেইলে পাঠানো লিঙ্কগুলো ক্লিক করবে বা আবেগতাড়িত হয়ে নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করবে।